Pre-loader logo

দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এখন নিজেরাই বিপণিবিতান ও মার্কেট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও দোকান মালিকরা। বিশেষ করে গতকাল বুধবার রাজধানীর বড় দুই মার্কেট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও যমুনা ফিউচার পার্ক কর্তৃপক্ষ জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে ঈদের আগে খুলবে না এই ঘোষণা দিলে অন্যরাও পিছিয়ে আসে।

ব্যবসায়ীদের চাপে মার্কেট খোলার অনুমতি দিলেও সরকার মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও দোকান মালিকদের জানিয়ে দিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করতে না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবার করোনাবিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির সদস্যরা মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিপণিবিতান, শপিং মল খুলে দিলে সবকিছুই খুলে দিতে হবে। একটি ব্যবসার সঙ্গে আরেকটি জড়িত। ফলে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হবে না। তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার পরামর্শ দেন।

সরকারের একজন মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের চাপে সরকারকে সায় দিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের বলেছেন, যদি তাদের কারণে সংক্রমণ বাড়ে তাহলে দায় নিতে হবে তাদেরই। গতকাল প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে কথা বলেছেন এ বিষয়ে। এ ব্যাপারে দোকান মালিকদের প্রতি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।’

একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, ‘সরকারপ্রধান চান ব্যবসায়ীরা জনস্বার্থ এবং পরিস্থিতি বুঝে নিজেরাই যেন দোকান খোলা থেকে বিরত থাকেন। তাছাড়া বসুন্ধরা সিটি মার্কেট ও যমুনা ফিউচার পার্কের সিদ্ধান্তের একটা প্রভাব অন্য মার্কেট কর্র্তৃপক্ষের ওপরও পড়বে বলে সরকার পক্ষ মনে করে।’

এছাড়া গতকাল রাজধানী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন দোকান মালিক ও মার্কেট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, লোকসান গুনতে গুনতে তারা হতাশ হয়ে দোকানপাট খোলার চাপ দিলেও এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন প্রত্যেকেই। তারা দফায় দফায় বৈঠক করছেন। আগামী তিন দিন করোনা পরিস্থিতি দেখে ৯ মে সিদ্ধান্ত নেবেন কতটা মার্কেট বা দোকান খোলা রাখবেন এবং কীভাবে রাখবেন। প্রসঙ্গত, সরকার দোকান ও শপিং মল সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিলেও রাজধানীর দুটি বৃহৎ শপিং মল যমুনা ফিউচার পার্ক ও বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স খুলবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে মার্কেট দুটির কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ঈদের আগে রাজধানীর নিউ মার্কেট ও চন্দ্রিমা মার্কেটও খুলবে না। মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দোকান মালিক সমিতি সরকারের কাছে আবেদন করেছিল সীমিত পরিসরে দোকান খোলার অনুমতি দিতে। সরকারের উচ্চপর্যায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে মার্কেট খোলার অনুমোদন দিয়েছে। তবে কোনো দোকানদার যদি দোকান খুলতে না চায়, তাহলে তাকে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না। কোনো কর্মচারী না আসতে চাইলে তাকেও জোর করা যাবে না। আর স্বাস্থ্যবিধি না মানতে পারলে ওই মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মূলত দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পরীক্ষামূলকভাবে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন যদি দেখা যায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে বা জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, তাহলে সরকারকে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

প্রসঙ্গত, গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা ৫ মে থেকে সীমিত পরিসরে ব্যবসাবাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকানপাট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সিদ্ধান্তে বলা হয়, ‘রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সীমিত পরিসরে ব্যবসাবাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। তবে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। বড় বড় শপিং মলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিং মলে আগত যানবাহনসমূহকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। দোকানপাট ও শপিং মলসমূহ আবশ্যিকভাবে বিকেল ৫টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।’ তবে ওইদিন রাত্রে ৫ মে’র পরিবর্তে ১০ মে থেকে দোকানপাট ও শপিং মল খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে সীমিত আকারে মার্কেট খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও খুলছে না বসুন্ধরা সিটি শপিং মল। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে গতকাল এই সিদ্ধান্ত নেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। চলমান এ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এই শপিং মলটি খুলবে না।

এ বিষয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা আবু তৈয়ব জানান, ‘করোরাভাইরাসের শুরু থেকেই বসুন্ধরা গ্রুপ সরকারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের কাছে মানুষের জীবন আগে। বসুন্ধরা সব সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে থাকে। মানবতার কথা চিন্তা করেই বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।’

সংক্রমণ ও মৃত্যুঝুঁকি এড়াতে রোজায় খুলছে না দেশের সর্ববৃহৎ শপিং মল যমুনা ফিউটচার পার্ক। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই কেবল মার্কেট খোলা হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে যমুনা ফিউচার পার্কের পরিচালক (মার্কেটিং, সেলস অ্যান্ড অপারেশনস) ড. মোহাম্মদ আলমগীর আলম বলেন, মার্কেট খুললেই ঘরবন্দি হাজার হাজার মানুষ শপিং মলে ছুটে আসবে। সে ক্ষেত্রে শত শত মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ ঝুঁকি থাকত। তাই যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম দেশ ও মানুষের কথা বিবেচনা করে যমুনা ফিউচার পার্ক শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে রাজধানীর অন্যতম বড় শপিং মল নিউমার্কেট খোলা রাখা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় খোদ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি। তাদের ভাষ্য, সরকারের পক্ষ থেকে মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে মার্কেট খোলা রাখা সম্ভব হবে না। বিষয়টি নিয়ে সমিতি বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেবে।

এ বিষয়ে নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহিন বলেন, ‘আমরা সরকারের সিদ্ধান্তকেই এখন পর্যন্ত ফলো (অনুকরণ) করছি। বর্তমানে তো করোনা পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি বলি, আমার জীবনটা আগে। কিন্তু আমরা তো কোনো সেক্টর থেকেই কোনো সুবিধা পাচ্ছি না। তাই রুটি-রুজির জন্য আমরা রাজি হয়েছিলাম। তবে মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে আমাদের এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) কমিটির সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা আমাদের নিজের, কর্মচারীদের এবং ক্রেতাদের সর্বোপরি দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেব না।’

করোনাভাইরাসের মধ্যেই খুলতে যাচ্ছে উত্তরার রাজলক্ষ্মী শপিং কমপ্লেক্স। যদিও মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে দোকানদার ও মার্কেট কর্মচারীদের একাংশ আপত্তি জানিয়েছিল। এরপরও মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে গতকাল পর্যন্ত অটল মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কেটের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা অনেকেই বলছিলাম, হাজার হাজার মানুষ মার্কেটে এলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তবে বেশিরভাগ দোকানদার খোলা রাখার বিষয়ে মত দেয়। তাই আগামী ১০ মে থেকে প্রতিদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখা হবে।’

করোনাভাইরাসের মধ্যেই আগামী ১০ মে থেকে খুলছে উত্তরার রাজউক কমার্শিয়াল শপিং কমপ্লেক্স। করোনা ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে মার্কেট কর্মচারীদের আপত্তি থাকলেও তা মানতে নারাজ মালিকপক্ষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মার্কেট কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘সরকার বুঝে-শুনেই মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা সরকারের নির্দেশনা ফলো করছি। সরকার যদি আবার বন্ধ করতে বলে তাহলে আমরা মার্কেট বন্ধ করব।’

রাজধানীর দক্ষিণখানের এল কে প্লাজা আগামী ১০ মে থেকে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে যদি করোনা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয় তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ওই মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির একজন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১০ মে থেকে মার্কেট খোলার বিষয়ে অটল আছি। যেহেতু এখনো ৪ দিন হাতে আছে, তাই এই সময়ের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি যদি আরও খারাপের দিকে যায় তাহলে সমিতির বৈঠকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে রাজধানীর ইসলামপুরের পাইকারি বস্ত্র মার্কেট খোলা ও বন্ধ রাখা। যদি আগামী ১০ মের মধ্যে দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হয়, তাহলেই কেবল রাজধানীর ইসলামপুরের পাইকারি বস্ত্র মার্কেট খোলা হবে। অন্যথায় আরও কিছুদিন অপেক্ষা করবেন তারা।

ইসলামপুরের বস্ত্র ব্যবসায়ী ওয়ালিদ হোসেন বলেন, বুধবার মালিক সমিতি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে মার্কেট খোলা হবে। বিষয়টি ইসলামপুর বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মোল্লা মাইকিং করে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ‘যারা স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে মার্কেট খোলা রাখতে পারবেন, তারা খুলবেন। আর যারা পারবেন না তারা বন্ধ রাখলেও সমস্যা নেই। দোকান ও শপিং মল সীমিত আকারে খোলা নিয়ে কিছু মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সীমিত আকারে মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। তবে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। বড় বড় শপিং মলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। শপিং মলে আগত যানবাহন অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিকেল ৪টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিং মল বন্ধ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরকে করোনার হটস্পট বলে বিবেচনা করছি। সেক্ষেত্রে দোকানের স্ব-স্ব মালিক কিংবা স্ব-স্ব মার্কেট কমিটি যদি মনে করে যে, তাদের দোকানপাট বন্ধ রাখবে তাহলে এতে কারও কোনো সমস্যার কারণ নেই।’

জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন গতকাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি তাতে কোনোভাবেই দোকানপাট খোলা রেখে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব নয়। ব্যবসায়ীদের জনগণের কথা চিন্তা করে পিছিয়ে আসা সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে। আমাদের দেশের মানুষ লকডাউনই মানতে চায় না। আর দোকানপাট হবে করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ উৎসকেন্দ্র। সরকারকেও এই সিদ্ধান্ত বিবেচনার আহ্বান জানাই।’

এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে দোকানপাট ও শপিং মল খোলার সিদ্ধান্ত জানিয়ে গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আগামী ১০ মে থেকে শপিং মল ও দোকানপাট খোলা যাবে। তবে তা বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.