Pre-loader logo

ধাপে ধাপে এগোতে চায় কিংস

ধাপে ধাপে এগোতে চায় কিংস

পেশাদার ফুটবল লিগে অভিষেক আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস গড়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা কিংস। এবার তাদের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে শিরোপা জিতে দেশের সুনাম বাড়ানো। এ স্বপ্ন পূরণ করতে যেতে হবে বহুদূর। আগে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, তারপর ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া। দেশখ্যাত দল কিংসের যে সামর্থ্য রয়েছে তা এএফসি ক্লাব কাপে গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ মিলেছে। ঢাকায় তারা শুরুটা করেছে মালদ্বীপের শক্তিশালী টিসি স্পোর্টসকে ৫-১ গোলে হারিয়ে। এরপর করোনাভাইরাসে টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে যায়। প্রায় ৮ মাস পর কিংস আবার তাদের মিশনে নামবে।

অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে গ্রুপের প্রথম পর্বের বাকি- আর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ। গ্রুপে অপর দুটি দল হচ্ছে মালদ্বীপের মার্জিয়া ও ভারতের চেন্নাই এএফসি। টুর্নামেন্ট হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে হওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে মালদ্বীপে বাকি ম্যাচ হবে। আয়োজন করতে এএফসি বসুন্ধরা ও চেন্নাইকে চিঠি পাঠিয়ে ছিল। মালদ্বীপ রাজি হওয়ায় সেখানে হবে টুর্নামেন্ট।

ম্যাচ স্থগিত থাকলেও দলের শক্তি বাড়াতে বসুন্ধরার সংগঠকরা নিজেদের ব্যস্ত রাখেন। দলে বিশ্বকাপের তারকা কোস্টারিকার ড্যানিয়েল কলিনড্রেসসহ অন্য বিদেশি ফুটবলারদের বিদায় করে বসুন্ধরা কিংস। এএফসি কাপে প্রথম ম্যাচে ম্যাজিক প্রদর্শন করা আর্জেন্টিনার বার্কোস থাকলেও প্রয়োজন পড়ে তিন বিদেশির। গতকাল ক্লাব সভাপতি ইমরুল হাসান জানালেন, ‘কলিনড্রেস, বখতিয়াররা চলে গেলেও তাদের জায়গা পূরণ হবে শক্তিশালী বিদেশিদেরই মাধ্যমে। একজন ব্রাজিলিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান ও ইরাকি ফুটবলারের সঙ্গে আলাপ আমাদের প্রায় চূড়ান্ত। যতটুকু জটিলতা আছে তা ২/৩ দিনের মধ্যে কেটে যাবে আশা করি।’
ইমরুল এএফসি কাপে তার দলকে নিয়ে আশাবাদী। মালদ্বীপে তপু বর্মণের নেতৃত্বেই মাঠে নামবে কিংস। সমস্যা হচ্ছে প্রায় একই সময় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে জাতীয় দল ও বসুন্ধরার ম্যাচ হবে। প্রাথমিক স্কোয়াডেই এই দলের ১৪ জন সুযোগ পেয়েছেন। চূড়ান্ত দলে সবাই না হলেও ৬/৭ জনের সুযোগ পাওয়া নিশ্চিত। এদের জাতীয় দলের পাশাপাশি বসুন্ধরায় খেলতে হবে। এমন চাপে তারা কতটা জ্বলে উঠতে পারবে তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। মালদ্বীপে বসুন্ধরার ও জাতীয় দল কাতারে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে।

ইমরুল বলেন, ‘কাছাকাছি ম্যাচ বলে জাতীয় দল ও বসুন্ধরা কিছুটা সমস্যায় পড়বে। বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আমি বাফুফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করব। ফিফা ও এএফসি দুটি আসরেই ফিকশ্চার তৈরি করেছে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। তবু চেষ্টা থাকবে কীভাবে খেলোয়াড়দের রিলাক্সে রাখা যায়। বাফুফে ঘোষণা দিয়েছে ৭ আগস্ট থেকে ক্যাম্প শুরু করবে। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় দল ও ক্লাবের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ফিকশ্চার কাছাকাছি হলে ৭২ ঘণ্টা আগে ক্লাব তাদের খেলোয়াড় ছাড়ে।

আমরাও সেই নিয়ম অনুসরণ করব। তাছাড়া জনি, ফারহাদ, মতিন, সুশান্ত, ইমন ও মিতুল ইনজুরিতে আছেন। জনি ও ফারহাদ এক বছর মাঠের বাইরে। এদের আমরা পরীক্ষা করব তারা ফিট কি-না। কোচ আনফিট মনে করলে তাদের জায়গায় অতিথি খেলোয়াড় নেব। এদের মধ্যে যারা জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন তাদের তো ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না। যাক সমস্যা তৈরি হয় সমাধানের জন্য। তাই এ নিয়ে আমি খুব চিন্তিত নই।’

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.