Pre-loader logo

নতুন বাঁধনে শেখ জামাল

নতুন বাঁধনে শেখ জামাল

২০০৯ সালের ২৮ এপ্রিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুত্র শেখ জামালের জন্মবার্ষীকির দিনে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব নামে নতুন যাত্রা শুরু করে। টানা ৯টি বছর ক্লাবের নেতেত্ব দিয়েছেন সভাপতি মঞ্জুর কাদের। তার সময়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। একে একে সাফল্যের ভান্ডারে জমা পড়েছে চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ হওয়ার ট্রফি। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশের মাঠেও অনন্য অসাধারণ ফুটবল নৈপূণ্য দেখিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সাড়া ফেলেছে নেপাল, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার ফুটবলে শেখ জামাল ট্রফি জয় করে নিজেদের নাম খোদাই করে রেখে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে শেখ জামাল এখন এক নামে পরিচিত। এমন সাফল্যে নিজের সাংগঠনিক জীবনও আরো বিস্তৃতি লাভ করেছে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনাটাও দরকার মনে করেছেন মঞ্জুর কাদের। সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরে গেলেন তিনি। নতুন সভাপতি হয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।
গতকাল দুপুরে ধানমন্ডিস্থ ক্লাব আঙ্গিনায় অষ্টম বার্ষিক সাধারণ সভা হয়ে গেল। সেখানেই ঘোষণা করা হয় নতুন সভাপতির নাম। যেখানে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ব্যক্তিত্বরাও উপস্থিত ছিলেন। সবাই করতালি দিয়ে নতুন সভাপতিকে গ্রহণ করলেন। ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে কর্মকর্তারাও আলিঙ্গন করলেন সাফওয়ান সোবহানকে। নতুন বাঁধনে শুরু করল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। পুরোন সভাপতি মঞ্জুর কাদের ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকবেন। তিনি গভর্নিংবডির চেয়ারম্যান হয়েছেন।
নতুন সভাপতি সাফওয়ান সোবহান বললেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এই সংগঠনটিকে দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাওয়া। নতুনত্ব আনবো। আমাদের পরিকল্পনা কি হবে সেটা আমরা সভায় বসে নির্ধারণ করবো। ফুটবল আছে, ক্রিকেট এবং হকি নিয়ে পরিকল্পনা করবো।’ বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহআলমের পুত্র সাফওয়ান সোবহান। আরেক পুত্র বসন্ধুরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান। সায়েম বছর তিনেক আগে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যান হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। আর সাফওয়ান সোবহান শেখ জামালের সভাপতি হলেন। তাদের বাবা শাহআলম বললেন, ‘মঞ্জুর কাদের আমার ছোট ভাই, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্খি। ৫০ বছরের সম্পর্ক। এই দলটা নিয়ে সে অনেক চেষ্টা করেছে। নিঃসন্দেহে সে ভালো ক্রীড়া সংগঠক। আমাকে মঞ্জুর কাদের বললেন আপনি শেখ জামালের দায়িত্ব নেন। আমার পক্ষে তো সম্ভব না। আমার ছেলে কাজ করবে।’ তিনি দুই পুত্রকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘তাদের দুই ভাইয়ের কাছে বলব, তারা যেন দেশের আনাচে কানাচেতে ফুটবলের জন্য কাজ করে।’ শাহআলম নিজেদের খেলোয়াড়ি জীবনের কথা স্মরণ করেন। নিজে খেলেছেন, বাবা খেলেছেন। বড় ভাই আব্দুস সাদেক খেলেছেন। ছাত্র জীবনে শেখ কামালের সান্নিধ্যের কথা তুলে আনেন। উঠে আসে আবাহনী প্রসঙ্গ। ৭৫ পরবর্তী আবাহনীর দুর্দিনের কথা। শাহআলম বলেন, ‘তখন আবাহনী ক্লাবে কেউ যেতেন না। তখন আমার ভাই আব্দুস সাদেক আবাহনীকে দেখেছেন।’

Copyright © 2021 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.