Pre-loader logo

ফেডারেশন কাপের জন্য তৈরি হচ্ছে শেখ রাসেল

ফেডারেশন কাপের জন্য তৈরি হচ্ছে শেখ রাসেল

বিদেশি-দেশি মিলিয়ে ঢাকা মাঠের এই পরাশক্তিও প্রায় তৈরি নতুন মৌসুম শুরুর জন্য। রাসেল কোচ সাইফুল বারী টিটুর বিশ্বাস, ‘এই দলের ভালো খেলার সামর্থ্য আছে। প্রতিদিনের প্র্যাকটিসে উন্নতি চোখে পড়ছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে সেটা করে দেখাতে হবে তাদের।’
ক্রীড়া প্রতিবেদক : চার বিদেশির মধ্যে তিনজনকে চূড়ান্ত করে ফেলেছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। চতুর্থজন হতে পারেন এক অস্ট্রেলিয়ান, তিনি আজ আসছেন। বিদেশি-দেশি মিলিয়ে ঢাকা মাঠের এই পরাশক্তিও প্রায় তৈরি নতুন মৌসুম শুরুর জন্য। রাসেল কোচ সাইফুল বারী টিটুর বিশ্বাস, ‘এই দলের ভালো খেলার সামর্থ্য আছে। প্রতিদিনের প্র্যাকটিসে উন্নতি চোখে পড়ছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে সেটা করে দেখাতে হবে তাদের।’
তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে দেশি ফুটবলারদের সংগ্রহ ভালো তাদের। তবে তরুণ মিডফিল্ডার আবদুল্লাহর ইনজুরি একটা বড় ধাক্কা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকাকালে আঘাত পেয়েছেন। তাঁর ডান পায়ের লিগামেন্ট অপারেশন হয়েছে, ফেডারেশন কাপের আগে মাঠে ফেরা কঠিন। এবার ক্লাব ফুটবলের শক্তির মূল আধার বিদেশি ফুটবলার, চার বিদেশির পারফরম্যান্সে বদলে যেতে পারে দলগুলোর চেহারা। বসুন্ধরা কিংস বিশ্বকাপ খেলা ড্যানিয়েল কলিনড্রেসকে এনে চমকে দিয়েছে। নতুন ফুটবল শক্তির নব বিপ্লবে যোগ হতে পারে বিশ্বকাপের আরেক ফুটবলার! সে রকম বড় নাম না হলেও শেখ রাসেল নিয়েছে ঢাকা মাঠে পরীক্ষিত দুই বিদেশিকে। গত মৌসুমে চট্টগ্রাম আবাহনীর রক্ষণদুর্গের বড় প্রাচীর অ্যালিসন উদোকা ও শেখ জামালের নিয়মিত স্কোরার রাফায়েলকে নিয়েছে তারা। দুই আফ্রিকানের সঙ্গে যোগ হয়েছে ব্রাজিলিয়ান অ্যালেক্স রাফায়েল। এই ব্রাজিলিয়ান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের পায়ে স্কিল আছে, খেলা তৈরির ক্ষমতা আছে। ‘খুব টপ ক্লাসের না হলেও অ্যালেক্সের এখানে ভালো করার সুযোগ আছে। এশিয়ান কোটায় একজন অস্ট্রেলিয়ান কাল (আজ) আসবে। সে-ও ফরোয়ার্ড লাইনে খেলে, তার মান কেমন হয় দেখি। চার বিদেশি নেওয়া সম্পন্ন হয়ে গেলে দলের অবস্থাটা ঠিক বুঝতে পারব আমি’—বলেছেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের নতুন কোচ।
সবাইকে প্র্যাকটিসে না দেখে দলের চরিত্র নির্ণয় করা কঠিন। দেশি খেলোয়াড়দেরই ঠিকঠাক এখনো প্র্যাকটিসে পাননি কোচ। সাফের পর বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে ব্যস্ত রাসেলের চার খেলোয়াড়—বিপলু আহমেদ, ইয়াসিন খান, আলমগীর কবির রানা ও বিশ্বনাথ ঘোষ। এরই মধ্যে নিজেদের খুব কার্যকরী প্রমাণ করেছেন দুজন। সাফে বিশ্বনাথের লং থ্রো-ইন গোলের উৎস হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের প্রথম ম্যাচ পার করে দিয়েছেন বিপলু। তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে ক্লাব দলের পারফরম্যান্সে। বাকিদের দারুণ প্রস্তুতি চলছে। পর্তুগিজ সহকারী কোচ ফ্রান্সিসকো আর কেনিয়ান গোলরক্ষক কোচ আব্দুস সালিমকে নিয়ে টিটু চেষ্টা করছেন দলটিকে নিখুঁত করতে। সুন্দর খেলা উপহার দিয়ে শেখ রাসেলের সাফল্যতৃষ্ণা মেটাতে। কোচের চোখে আপাতভাবে বড় কোনো ঘাটতি দেখা যাচ্ছে না, ‘এই দলে প্রতিটি পজিশনে বিকল্প খেলোয়াড় আছে। ট্রেনিংয়ে তারা পরিশ্রম করছে, ভালো খেলার কমিটমেন্টও দেখছি তাদের মধ্যে। সামনে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ আছে আমাদের, সেগুলো হলে আমাদের শক্তি এবং দুর্বলতা বোঝা যাবে।’ ২২ অক্টোবর থেকে অনুষ্ঠেয় ফেডারেশন কাপের আগে এ ম্যাচগুলোতে হবে ফুটবলারদের পরীক্ষা। ফেডারেশন কাপের একাদশ নির্বাচনের প্র্যাকটিস ম্যাচ।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.