Pre-loader logo

বসুন্ধরা করোনা হাসপাতাল: মন্ত্রণালয়ে চিঠি যাবে ১০ মে

বসুন্ধরা করোনা হাসপাতাল: মন্ত্রণালয়ে চিঠি যাবে ১০ মে

মঙ্গলবার (৫ মে) ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে একথা জানান এইচইডি কর্মকর্তারা।
অধিদপ্তরের ঢাকা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মোল্লা বলেন, আমাদের কাজ প্রায় শেষ। তবে একটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেটি হচ্ছে একটি ওয়াশিং প্ল্যান্ট দরকার। কারণ করোনা রোগীদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র বা পোশাক হাতে ধোয়া যাবে না। বৈশ্বিক যোগাযোগ না থাকায় এই ওয়াশিং প্ল্যান্টটি আমরা আনতে পারছিলাম না। সবশেষে সাতক্ষীরায় আমরা একটি প্ল্যান্ট পেয়েছি। এটা বুধবার চলে আসবে এবং বৃহস্পতিবার নাগাদ এর স্থাপনের কাজ শেষ হবে।
মনিরুজ্জামান আরও বলেন, এসব কাজ শেষ হলে আগামী রোববার আমরা মন্ত্রণালয় এ একটা চিঠি দেবো যে, এখানকার সব কাজ শেষ। তারপর মন্ত্রণালয় যা সিদ্ধান্ত নেয় নেবে।
এদিকে আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দিন বলেন, আমাদের তরফ থেকে সব কাজ শেষ। আমরা এক রকম স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন আমরা তাদের (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) থেকে একটি তারিখের অপেক্ষায় আছি যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু তাদের বুঝিয়ে দেবো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন পরিচালক এবং দু’জন উপ-পরিচালকের বসার জন্য আমাদের একটি অফিসও ছেড়ে দিয়েছি।
করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দিতে সরকারকে আইসিসিবিতে পাঁচ হাজার শয্যার একটি সমন্বিত অস্থায়ী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল পরিদর্শন করে হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। নানা হিসাব-নিকাশ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে দুই হাজার ১৩ শয্যার হাসপাতাল ও ৭১ শয্যার আইসিইউ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আইসিসিবির সুবিশাল চারটি কনভেনশন হল ও একটি এক্সপো ট্রেড সেন্টারে দেশের অন্যতম বৃহৎ এ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে সরকারের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.