Pre-loader logo

বাংলাদেশ খাদ্যে উপচে পড়া ঝুড়ির দেশে পরিণত হয়েছে : হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশ খাদ্যে উপচে পড়া ঝুড়ির দেশে পরিণত হয়েছে : হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও, ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের দেশ হওয়া সত্ত্বেও, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সত্ত্বেও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশকে যারা তলাবিহীন ঝুড়ি বলে অবজ্ঞা করেছিল তাদের বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাংলাদেশ আজ খাদ্য উপচে পড়া ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সোনারগাঁও হোটেলে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ-ট্রাব আয়োজিত ২৮তম ‘ট্র‍্যাব অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

আজ বৃহস্পতিবার সোনারগাঁও হোটেলে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ-ট্রাব আয়োজিত ২৮তম ‘ট্র‍্যাব অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বে ৯২তম। আয়তন ছোট হওয়া সত্ত্বেও আমরা ধান উৎপাদনে তৃতীয়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে চতুর্থ এবং আলু উৎপাদনে সপ্তম। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বিষ্মিত হয়েছে।

হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বে ৯২তম। আয়তন ছোট হওয়া সত্ত্বেও আমরা ধান উৎপাদনে তৃতীয়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে চতুর্থ এবং আলু উৎপাদনে সপ্তম। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বিষ্মিত হয়েছে।

এ সময় অনুকরণ প্রবনতা ত্যাগ করে দেশিয় সংস্কৃতির মৌলিকত্ব ধরে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতির মৌলিকত্ব অভিনব। বিশ্বায়নের যুগে নিজস্ব সংস্কৃতির মৌলিকত্ব ধরে রাখার চ্যালঞ্জ রয়েছে। আমাদের সংস্কৃতির মৌলিকত্ব ধরে রাখার দায়িত্ব শিল্পী ও কলা-কুশলীদের।

হাসান মাহমুদ আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আমাদের সাহিত্যের গভীরতা, সংস্কৃতির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা দেখে বিশ্ব সাধুবাদ জানিয়েছে। আমাদের সংস্কৃতি বিশ্বের আনাচে-কানাচে পৌছে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে শিল্প-বাণিজ্য, ক্রীড়া ও আর্তমানবতার সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে বিশেষ সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করা হয়। বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ট্রাব সম্মাননায় ভূষিত হন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন। চলচিত্র ও সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে মরোণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়া সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে শিক্ষা সাগর সম্মাননা, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য শ্যামল দত্ত, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে হাওয়া, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকে হিসেবে মেজবাউওর রহমান সুমন, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে চঞ্চল চৌধুরীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, নাটক এবং টেলিভিশন বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় ৪৩ জন শিল্পী ও কলাকুশলীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

ট্রাবের সভাপতি সালাম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলার উপদেষ্টা তাশিক আহমেদ, ট্রাবের সাধারণ সম্পাদক অনজন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক হামিদা খানম প্রমুখ।

 

Source : kalerkantho.com

Copyright © 2023 Sayem Sobhan Anvir.
All Rights Reserved.