Pre-loader logo

বিশ্বসেরা উদ্যোক্তাদের কাতারে সায়েম সোবহান আনভীর

বিশ্বসেরা উদ্যোক্তাদের কাতারে সায়েম সোবহান আনভীর

তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে হয়ে ওঠেছেন অনন্য সাধারন বিজনেস আইকন। বসুন্ধরা গ্রুপের কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবহানের যোগ্য উত্তরসূরী হিসাবে নিজেকে ধীরে ধীরে নিয়ে যাচ্ছেন অনন্য উচ্চতায়। সততা, নিষ্ঠা, কাজের প্রতি একাগ্রতা আর মানুষের প্রতি ভালোবাসায় প্রতিনিয়ত নিজেকেই নিজে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। আর দেশের গন্ডি ছাপিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এখন বিশ্বসেরা উদ্যোক্তাদের কাতারে। দেশের মানুষের জন্য অণুপ্রেরণীয় এই মানুষটিকে নিয়েই বিজনেস বাংলাদেশের বিশেষ আয়োজন।

প্রতিদিনই নতুন করে স্বপ্ন বুনেন তিনি। ব্যবসায়িক সম্রাজ্যকে করছেন সুপ্রসারিত। আর দুয়ার খুলছে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানের। পরিশ্রমের স্বীকৃতিও মিলছে জাতীয় ও আন্তজার্তিক পর্যায়ে। কেবল ব্যবসায়ী হিসেবেই নয়, সংস্কৃতিমনা ও ক্রীড়ামোদী এই মানুষটি জনসেবক হিসেবেও স্থাপন করেছেন অণুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সম্প্রতি অণুপ্রেরণীয় এই বিজনেস আইকনকে নিয়ে একটি স্টোরি প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক খালিজ টাইমস। সেই স্টোরির শিরোনাম- ‘সায়েম সোবহান: যিনি ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সম্ভাবনা খুঁজে পান, যা অন্যরা দেখতে পায় না’। আর সেই রচনায় বলা হয়, সায়েম সোবহান আনভীর, যিনি ভাবেন সমাজ নিয়ে দেশ নিয়ে। এমন ভাবনা, নিজ প্রতিষ্ঠানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও উদ্ভাবনী শক্তি তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে অন্য দশজনের চেয়ে আলাদা করে রেখেছে। শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের সেরা উদ্যোক্তাদের কাতারে উঠে এসেছেন তিনি।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখছেন সায়েম সোবহান। প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন ক্লান্তিহীনভাবে নিরবে। দেশের বাণিজ্য, ম্যানুফেকাচরিং, খেলাধূলা এবং গণমাধ্যম-বিস্তৃত পরিসরে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অবদান রেখে যাচ্ছেন। তাঁর বহুমাত্রিক ও গতিশীল নেতৃত্ব আর অনন্য মেধায় জোরালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে এসব খাতে। বসুন্ধরার ব্যবসা দেশ ও মানুষের কল্যাণেই এগিয়ে যাচ্ছে। যা সীমাবদ্ধ নয় ধর্ম, বর্ণ বা আঞ্চলিক পরিচয়ে। মেধা ও দক্ষতার সুনিপণ সমন্বয়ে শিল্পখাতকে আর্টে পরিণত করেছেন সায়েম সোবহান। অসম্ভবকে করেছেন সম্ভব। তাঁর যোগ্য নেতৃত্ব আর উদ্ভাবনী কৌশলে যা একসময় ছিলো স্বপ্ন তাই এখন বাস্তবতা।দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে তিনি একজন সর্বসম্মানিত ও প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব।

বাঁয়ের ছবিতে খালিজ টাইমস এ বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে নিয়ে ছাপা হওয়া বিশেষ প্রতিবেদন। ডানে হাস্যোজ্জ্বল সায়েম সোবহান আনভীর

করোনা মোকাবেলায় মানুষের পাশে

বসুন্ধরা গ্রুপের স্লোগান হচ্ছে- ‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে’। সেই স্লোগানকে তারা কাগজে কলমে রাখতে চাননি বলেই সব সময় মানুষের কল্যাণে ব্রতী হওয়ার চেষ্টা করেছেন। সারা বিশ্ব এখন করোনাভাইরাস মোকবালোয় হিমশিম খাচ্ছে। বাদ নেই বাংলাদেশও। দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু হলে প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দেওয়ার পাশাপাশি একটি হাসপাতালের জায়গা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে এ লড়াইয়ে সামনের কাতারে এসে দাঁড়িয়েছেন সায়েম সোবহন আনভীর। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রস্তাব দেন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাকে (আইসিসিবি) করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ৫ হাজার শয্যার অস্থায়ী হাসপাতালে রুপান্তর করার। যেখানে ২ লাখ ৪০ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে হাসপাতালে রুপান্তরের কাজ শেষ হয়েছে। লন্ডনের এক্সেল এক্সিবিশন সেন্টারের ‘নাইটিঙ্গেল হাসপাতাল’ ও মাদ্রিদের আইএফইএমএ কনভেনশন সেন্টারের আদলে কনভেনশন সেন্টারকে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশেও তৈরি হল কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জন্য এই বিশেষায়িত হাসপাতাল। এর আগে উহান শহরে দশ দিনে হাসপাতাল তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলো চীনের কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ঢাকার এই হাসপাতালটি হলো একুশ দিনে। বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর জানান, এই হাসপাতাল নির্মাণের জন্য প্রায় আড়ই লক্ষ বর্গফুট জায়গা তারা সরকারকে অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করতে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, ‘দেশের যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে বসুন্ধরা গ্রুপ সবসময় সরকারের পাশে আছে।’ বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত সংকটময় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের পর থেকে এমন কঠিন সময়ের সম্মুখীন হয়নি এ দেশের মানুষ। জাতীয় এ সংকট মোকাবিলায় বসুন্ধরা গ্রুপ তাদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সমন্বয় ও ভালো যোগাযোগের মাধ্যমে দেশের এ কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।’ দেশের এ সংকটময় মুহূর্তে পুলিশ, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী ও র‌্যাবসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সায়েম সোবহান ব্যক্তিগতভাবে ৫ লাখ ফেস মাস্ক এবং ৫ হাজার পিস পিপিই বিতরণ করেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ২৫ হাজার ব্যাগ দরিদ্রদের মধ্যে ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন বিতরণ করা হচ্ছে এমন ৩ হাজার ব্যাগ খাদ্যপণ্য। বাংলাদেশ আজ জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন দেশগুলোর অন্যতম। এ ক্ষেত্রে বড় অবদান রেখে যাচ্ছে রাজনৈতিক, করপোরেট ও সামাজিক নেতৃত্ব। উন্নয়নশীল ও একটি উন্নত দেশ হওয়ার পথে বাংলাদেশের রুপান্তরে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। যার নেতৃত্বে রয়েছেন সায়েম সোবহান আনভীর।

দেশের এ সংকটময় মুহূর্তে পুলিশ, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী ও র‌্যাবসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সায়েম সোবহান ব্যক্তিগতভাবে ৫ লাখ ফেস মাস্ক এবং ৫ হাজার পিস পিপিই বিতরণ করেছেন। ডানের ছবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সায়েম সোবহান আনভীর।

দেশ ও মানুষের সেবায় অবদান

দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ সায়েম সোবহান আনভীরের নেতৃত্বে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে দেশ ও মানুষের কল্যাণে। এতে একদিকে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যেমন ভূমিকা রাখছে, তেমনি বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানে বড় ভূমিকা পালন করছে। বসুন্ধরা গ্রুপ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তাতে মনে হয় তারা আসলে দেশ ও জনগণের সেবাকে পণ হিসেবে গ্রহণ করেছে। দেশ সেরা এই প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসার মাধ্যমে শুধু মুনাফা তৈরিতে বিশ্বাস করে না, একই সাথে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে অবিরাম। বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু অর্থের জন্য নয়, মানুষের ও দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। বসুন্ধরা গ্রুপ তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সারা দেশের হাজার হাজার মানুষকে চাকরি দিয়েছে। এতে বেকার সমস্যা সমাধানে বড় ভূমিকা পালন করছে। উৎপাদন খাত থেকে শুরু করে সেবা খাত এবং খেলাধুলা সব খানেই রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের পদচারণা। তারা যেখানেই হাত দিয়েছে সেখানেই হয়েছে দেশ সেরা। আর এর পেছনে সবচেয়ে অগ্রগামী মানুষটি গ্রুপ চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর। ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান সবাইকে দান করে যাচ্ছেন। তিনি শুধু অর্থ দিয়েই ক্ষান্ত নন, নিজের মূল্যবান সময় এবং সৃজনশীলতা বিনিয়োগ করছেন সমাজের টেকসই পরিবর্তনে। দেশের দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল গড়ে তুলেছে বসুন্ধরা। যার অন্যতম বসুন্ধরা-আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং অ্যাডভোকেট আতামেয়া ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক, যেখানে দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষদের চোখের চিকিৎসা দিচ্ছে ও বিনামূল্যে সার্জারি করছে। বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট সুবিধাবঞ্চিত তরুনদের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন অটিস্টিক শিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও বিধবা নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বসুন্ধরা পরিচালনা করছে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ।

বসুন্ধরার অগ্রযাত্রায় সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে একটি বিটুমিন প্লান্ট। যা উদ্বোধন করা হয় এ বছর। ডানের ছবিতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করছেন সায়েম সোবহান আনভীর।

নানামুখী অগ্রযাত্রায় বসুন্ধরা গ্রুপ

দেশের জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির একাগ্র প্রচারক সায়েম সোবহান তার মালিকানাধীন দেশের সবচেয়ে বড় মিডিয়া গ্রুপ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ার কালের কন্ঠ, দেশের সর্বাধিক প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিন, ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সান, নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরডটকম।

এ ছাড়া নতুন সাড়া জাগানো টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ২৪ ও রেডিও ক্যাপিটাল এফএম ৯৪.৮ ও রয়েছে। নিউজ চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ইতোমধ্যে মান ও গুণের কারণে সব শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর সার্বিক দায়িত্বে থেকে বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের নানামূখী উন্নয়নের খবর পৌছে দিচ্ছেন দেশ ও বিদেশের আপামর মানুষের কাছে। আদর্শের তাবেদার সায়েমের চিন্তায় দেশের মানুষ আর মানুষের উন্নয়ন।

দেশের মানুষকে একই ছাদের নিচে সব ধরনের শপিংয়ের সুযোগ করে দিতে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে গড়ে তুলেছে বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। যা তৃতীয় প্রজন্মের শপিং কমপ্লেক্স। শুধু তাই নয় সিনেপ্লেক্স, ইনডোর অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ফুড কমপ্লেক্স এবং বিশ্বমানের অন্যান্য সেবাসহ এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শপিং কমপ্লেক্স। বসুন্ধরার অগ্রযাত্রায় সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে একটি বিটুমিন প্লান্ট। যা উদ্বোধন করা হয় এ বছর। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও বেসরকারি খাতের একমাত্র বিটুমিন প্লান্ট।

এক নজরে সায়েম সোবহান আনভীর

এই সময়ে বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য, সাহিত্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি জগতের তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে সায়েম সোবহান আনভীর খুব পরিচিত একটি নাম, সহজ চেনা একটি মুখ। বাবা আহমেদ আকবর সোবহানের প্রতিষ্ঠিত বসুন্ধরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বসুন্ধরা গ্রুপ বসুন্ধরাগ্রুপ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি হিসাবে ব্যবসা শুরু করলেও এখন তারা ৫৩ টিরও বেশি ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। যার মধ্যে আবাসন, নির্মাণ, সরবরাহকারী, মিডিয়া, ভারী ইস্পাত এবং প্রকৌশল সাপোর্ট, খাদ্য ও পানীয়, কাগজ এবং সজ্জা, বিকল্প বিকল্প উৎস, সামুদ্রিক পরিবহণ, তথ্য প্রযুক্তি, খনন এবং ড্রেজিং, বৃত্তিমূলক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা, ইউটিলিটি সার্ভিস সাপ্লিমেন্ট, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ইত্যাদি। সম্মানিত চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ২০০১ সালে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে সায়েম সোবহান আনভীরকে নিয়োগ দেন। সায়েম সেবাহান আনভীর পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাজ্যে। সেখানে তিনি ইলির কিংস স্কুল , ক্যামব্রিজশায়ার স্কুল এর পর তিনি ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বা বিবিএ করেন লন্ডনে অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সায়েম সোবহান আনভীর ৩১ শে জানুয়ারি ১৯৮১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা আফরোজা বেগম এবং বাবা আহমেদ আকবর সোবহান। তার সহধর্মীনির নাম সাবরিনা সোবহান। আনভির ২০ বছর বয়সে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছিলেন, বয়সে অনেক ছোট হলেও তিনি দৃঢ়তার সাথেই হাল ধরে রেখেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের। বসুন্ধরা গ্রুপ মানব সম্পদ উন্নয়নে একটি নতুন যুগ খুঁজে পেয়েছে সায়েম সোবহান আনভীরকে সঙ্গে নিয়ে। ব্যবস্থাপনা পরচিালক সায়েম সোবহান আনভীর এর কঠোর পরিশ্রম, সততা আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ছাড়া ব্যবসায়ের প্রতিটি বিভাগে এই বিপুল সাফল্য অর্জন করা এত সহজ ছিল না। সায়েম সোবহান আনভীরের ক্লায়েন্ট হ্যান্ডলিং সামর্থ্য আশ্চর্যজনক। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, নেপাল, সৌদি আরব ইউ.ই., যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, গ্রীস, কানাডা, মিশর, অস্ট্রেলিয়া এবং অন্যান্য দেশে ভ্রমণ করেছেন। সায়েম সোবহান আনভীর এমন একজন ব্যক্তির নাম, যিনি তাঁর সামাজিক কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত। ঢাকা ক্লাব লিমিটেড (ডিসিএল), গুলশান ক্লাব লিমিটেড (জিসিএল), অল কমিউনিটি ক্লাব (এসিএল) এবং উত্তরা ক্লাব লিমিটেড (ইউসি) এর সদস্য।।দেশের ক্রীড়া জগতেও তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি দেশের প্রখ্যাত ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সায়েম সোবহান এর অবদান তাকে সিআইপির মর্যাদা দান করেছে। তিনি যে শুধু দেশেই তার কর্মের স্বীকৃতি পেয়েছেন তা নয়। দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি ক্রীড়া, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, সমাজ সেবা ও গণমাধ্যমে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ভারতের মর্যাদাপূর্ণ দাদা সাহেব ফালকে এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড-২০১৭-এ ভূষিত হন সায়েম। বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক সংহত করার লক্ষে তার অবদানের জন্য ২০১১ সালে মার্কিন কংগ্রেশনাল স্বীকৃতি লাভ করেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন ব্যাবসায়িক পুরষ্কার লাভ করেন সায়েম যার অন্যতম ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় সেরা স্টল ট্রফি।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.