Pre-loader logo

ভোজ্যতেলের ব্যবসায় বসুন্ধরা

ভোজ্যতেলের ব্যবসায় বসুন্ধরা

ভোজ্যতেলের বাজারে আসছে বসুন্ধরা গ্রুপ। বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড সয়াবিন ও পাম অয়েল বাজারজাতকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এ ভোজ্যতেল পরিশোধন ইউনিটের বাস্তবায়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মাহবুব হায়দার খান বলেন, এই রিফাইনারি দৈনিক দুই হাজার টন (পাম ও সয়াবিন) পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন। ভোজ্যতেলের গুণগত মান বজায় রাখার সব ব্যবস্থা এতে থাকবে। সিঙ্গাপুরের লিপিকো টেকনোলজি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা করছে। ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পানগাঁওয়ে বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে হচ্ছে এই পরিশোধনাগার।
লিপিকো প্রতিনিধি ফখরুল আলম বলেন, ভোজ্যতেলের বাজারে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট নিয়ে আসছে বসুন্ধরা। লিপিকো বসুন্ধরাকে কারিগরি সহায়তা দেবে। বাংলাদেশের বাজারে ৬০ শতাংশ ভোজ্যতেল লিপিকোর মাধ্যমে আসে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র ডিএমডি বেলায়েত হোসেন, ডিএমডি মোস্তাফিজুর রহমান, বসুন্ধরা গ্রুপের সিমেন্ট সেক্টরের ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম মাহবুব-উজ-জামান উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতিবছর ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এ ভোজ্যতেলের বেশিরভাগ চাহিদা মিটছে আমদানির মাধ্যমে। দেশে ১০টি প্রতিষ্ঠানের ভোজ্যতেল পরিশোধনাগার রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের পরিশোধনাগার চালু রয়েছে। ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ বাজার শেয়ার মেঘনা গ্রুপের ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে পাম তেলের বাজার শেয়ার সর্বোচ্চ ছিল টিকে গ্রুপের ৩০ শতাংশ। ভোজ্যতেলের বাজারে বর্তমানে তিনটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব ৮০ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ এডিবল অয়েল, মেঘনা ও সিটি গ্রুপ। এর বাইরে এসিআই, আবদুল মোনেম লিমিটেড ও প্লাটিনাম গ্রুপ ভোজ্যতেল বাজারজাত করছে।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.