Pre-loader logo

মালদ্বীপে কিংসের এএফসি কাপ

মালদ্বীপে কিংসের এএফসি কাপ

এএফসি কাপের ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। কভিড-১৯-এর কারণে স্থগিত প্রতিযোগিতার ‘ই’ গ্রুপের খেলাগুলো অক্টোবর-নভেম্বরে মালদ্বীপের দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে গ্রুপসেরা হওয়ার জন্য লড়বে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, ভারতের চেন্নাই সিটি এফসি এবং মালদ্বীপের মাজিয়া ও টিসি স্পোর্টস। করোনা পরিস্থিতির কারণে টুর্নামেন্টের ফরম্যাটে পরিবর্তন এনে এক শহরে খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন-এএফসি। তাদের প্রস্তাবে সাড়া দেয় কেবলমাত্র মালদ্বীপ।

নতুন ফরম্যাটেও হোম-অ্যান্ড-অ্যাওয়ের মতো দলগুলো দুবার করে মুখোমুখি হবে একে অন্যের। ১৩ দিনে পাঁচটি ম্যাচ খেলতে হবে প্রতিটি দলকে। মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়াম ও আড্ডু স্টেডিয়ামে ২৩ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত হবে ম্যাচগুলো। টিসি স্পোর্টসকে ৫-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপপর্ব শুরু করা বসুন্ধরা কিংস ২৩ অক্টোবর মাজিয়া স্পোর্টসের সঙ্গে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে। ২৬ ও ২৯ অক্টোবর টানা দু’ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ চেন্নাই সিটি। ১ নভেম্বর টিসি স্পোর্টসের সঙ্গে ফিরতি ম্যাচ খেলার পর গ্রুপের শেষ ম্যাচটি তারা খেলবে মাজিয়ার বিপক্ষে। গ্রুপসেরা দল উঠে যাবে ইন্টার জোন প্লে-অফ সেমিফাইনালে।

ম্যাচ শুরুর চার দিন আগে কিংস ও চেন্নাইকে পৌঁছাতে হবে মালদ্বীপে। যাওয়ার আগে দলের প্রত্যেক সদস্যের কভিড-১৯ পরীক্ষা করাতে হবে। মালে গিয়েও পরীক্ষা করাতে হবে আবার। প্রতিটি দলকে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া বাবদ এএফসি ভর্তুকি দিচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার করে।

বসুন্ধরা কিংস আসরটি নিজেরা আয়োজনে আগ্রহ দেখায়নি কভিড পরিস্থিতির কারণে। তারা চেয়েছিল ভারত বা মালদ্বীপে না হয়ে ভেন্যু হোক নিরপেক্ষ কোনো দেশে। কিন্তু ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে মালদ্বীপের দল দুটি তাদের ফেডারেশনের মাধ্যমে আগ্রহ দেখায়। এএফসিও ভেন্যু হওয়ার সব শর্ত পূরণ করায় মালদ্বীপকে চূড়ান্ত করে। বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান জানিয়েছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি না পেলেও তাদের ওখানে গিয়েই খেলতে হবে মনে হচ্ছে। আমরা কভিড পরিস্থিতির কারণেই আয়োজক হওয়ার আগ্রহ দেখাইনি। তবে আমরাও অনেক সুন্দরভাবে আয়োজন করতে পারতাম।’

ভেন্যু নিয়ে সংশয় দূর হওয়ায় মাঠের প্রস্তুতিতে নেমে পড়তে বাধা নেই কিংসের। তবে তাদের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন অনুশীলন শুরু করবেন সেপ্টেম্বরের শুরুতে। তার আগে অবশ্য বিদেশি খেলোয়াড় কোটা পূরণ করতে হবে দলটিকে। কভিড পরিস্থিতির কারণে নতুন করে দল গঠনের সুযোগটি কাজে লাগাতে বসুন্ধরা আর্জেন্টাইন হার্নান বার্কোস বাদে বাকি সব বিদেশিকে বিদায় করে দিয়েছিল। দলটি এখন কাজ করছে আরও ভালোমানের বিদেশি চূড়ান্ত করে দলের শক্তি বাড়াতে।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.