Pre-loader logo

রংপুর রাইডার্স সুপারফোরে

রংপুর রাইডার্স সুপারফোরে

রংপুর রাইডার্সের সমর্থকরা এবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। গতকাল মিরপুরের উইকেটে খুলনা টাইটানসকে ১৯ রানে হারিয়ে সুপারফোর নিশ্চিত করলেন মাশরাফিরা। ১১ ম্যাচে ৬ জয়ে রংপুর রাইডার্সের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট। খুলনা টাইটানস হারলেও তারা ১৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করে আগেই সুপারফোর নিশ্চিত করে নিয়েছে।
মিরপুরের উইকেটে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার সিদ্ধান্তকে ঠিক প্রমাণ করেই বোলিং করছিলেন খুলনা টাইটানসের বোলাররা। রংপুর রাইডার্স ব্যাটিংয়ে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। ক্রিস গেইল ৩৭ বলে ২টি ছক্কা আর ৪টি চারে ৩৮ রান করে গেলেও ধীর গতিতেই এগিয়ে চলছিলেন মাশরাফিরা। তবে শেষ দুই ওভারে ৩৩ রান করে দলকে ফাইটিং স্কোর এনে দেন রংপুরের মোহাম্মদ মিথুন। তিনি ৩৫ বলে ৪টি ছক্কা ও ২টি চারে ৫০ রান করেন। বাকিদের কেউই বিশের উপরে যেতে পারেনি। এমনকি দুই অঙ্কের রান করেছেন কেবল অধিনায়ক মাশরাফি (১৫), ম্যাককালাম (১৫) ও রবি বোপারা (১১)। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে রংপুর রাইডার্স ১৪৭ রান সংগ্রহ করে। খুলনা টাইটানসের পক্ষে ২টি উইকেট শিকার করেন আর্চার। এ ছাড়াও একটি করে উইকেট শিকার করেন আবু জায়েদ, শফিউল, মোহাম্মদ ইরফান ও ব্রেথওয়াইট। ১৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলছিল খুলনা টাইটানস। উদ্বোধনী জুটিতে নাজমুল ও ক্লিঙ্গার ৬০ রান যোগ করেন। এরপর নাজমুল (২০) আউট হলেও ক্লিঙ্গার ৪৪ রান করেন। অবশ্য বল খরচ করেন ৪৫টি! বাকিরা বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই সাজঘরে ফিরেন। শেষদিকে আর্চার (১৯) রংপুর রাইডার্সের সমর্থকদের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন মাশরাফিরা। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে খুলনা টাইটানস ১২৮ রান সংগ্রহ করে। রংপুর রাইডার্সের পক্ষে ২টি উইকেট শিকার করেন বোপারা। এ ছাড়াও ১টি করে উইকেট শিকার করেন সোহাগ গাজী, নাহিদুল, নাজমুল ও উদনা।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.