Pre-loader logo

রপ্তানি হবে বসুন্ধরার কাগজ

রপ্তানি হবে বসুন্ধরার কাগজ

দেশের চাহিদা মিটিয়ে শিগগিরই বসুন্ধরার উৎসদিত কাগজ রপ্তানি করা হবে। একসময় দেশের চাহিদার পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করা হলেও বর্তমানে কাগজে অনেকটাই স্বয়ংসম্পূর্ণ। এ ছাড়া দেশের ৯০ শতাংশ কাগজের চাহিদা পূরণ করে বসুন্ধরা পেপার। গতকাল রবিবার বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার ২-এ ‘বসুন্ধরা পেপারের মোবাইল রিচার্জ অফারের প্রথম পর্বের সারপ্রাইজ গিফট’ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে ভাগ্যবান দুজন ভোক্তার হাতে পুরস্কার হিসেবে স্মার্টফোন তুলে দেন বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইয়াশা সোবহান। আরো উপস্থিত ছিলেন হেড অব সেলস মো. মাসুদুজ্জামান।
মোস্তাফিজুর রহমান আরো বলেন, “বসুন্ধরা গ্রুপ তিন-চার বছর আগে ‘এ৪’ কাগজ বাজারে আনে। এর আগে বিদেশি কাগজ ‘ডাব্লিউএ’ সেঞ্চুরিসহ বিভিন্ন বিদেশি কাগজ বাজার দখল করেছিল। আমরা উৎসদন শুরু করার পর বর্তমানে দেশের বাজারের ৯০ শতাংশ আমাদের দখলে নিয়ে নিয়েছি। এ ছাড়া স্থানীয় যারা ছিল তারাও এগিয়ে এসেছে। ফলে এখন আর বিদেশি কাগজ নেই, সবই দেশি কাগজ।”
মাসুদুজ্জামান বলেন, “বসুন্ধরার পেপারের বড় গুণ আমরা গুণগত মানের দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। তা ছাড়া দামে সাশ্রয়ী। এ কারণে দ্রুতই ক্রেতাদের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরার ‘এ৪’ পেপার। আমরা সাধারণত ৬৫ জিএসএম, ৭০ জিএসএম এবং ৮০ জিএসএম কাগজ বাজারে ছেড়েছি। আমরা এখন মার্কেট লিডার।”
‘বসুন্ধরা পেপারের মোবাইল রিচার্জ অফারের প্রথম পর্বের সারপ্রাইজ গিফট’ প্রসঙ্গে মাসুদুজ্জামান আরো বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমরা ৭০ এবং ৮০ জিএসএম কাগজে স্ক্র্যাচকার্ড প্রোগ্রাম দিয়েছিলাম। সেখানে বলা ছিল এক রিম কাগজ কিনলে তার ভেতর স্ক্র্যাচকার্ড থাকবে। সেই কার্ডের গোপন নম্বর এসএমএস করলেই ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে ১০ টাকার মোবাইল রিচার্জ পাওয়া যাবে। তাদের মধ্য থেকে ভাগ্যবান দুজনকে মোবাইল ফোন পুরস্কার দেওয়া হয়।’
পুরস্কারপ্রাপ্ত দুজন হলেন নারায়ণগঞ্জের রিব লাইন গ্রুপের নেপাল চন্দ্র রায় এবং খুলনার জাহিদ হাসান। দুজনই পুরস্কার পেয়ে অভিভূত। নেপাল চন্দ্র রায় বলেন, বসুন্ধরার পেপারের মান অন্যদের চেয়ে শতগুণ ভালো।

Copyright © 2020 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.