Pre-loader logo

সোনা চোরাচালান বন্ধে কঠোর অবস্থানে বাজুস – Jago News24

সোনা চোরাচালান বন্ধে কঠোর অবস্থানে বাজুস – Jago News24

‘সোনা চোরাচালান বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। এ জন্য উপজেলা পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি একসঙ্গে কাজ করবে বাজুস ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।’

সোনা চোরাচালান প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পঞ্চম তলায় কাজেমী সেন্টারে বিএফআইইউ ও বাজুস আয়োজিত যৌথসভা শেষে এ কথা বলেন বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীর।

সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে নীতি নির্ধারণী সংস্থা ‘এশিয়া/প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি)’ কর্তৃক ২০১৫-১৬ মেয়াদে পরিচালিত তৃতীয় পর্বের মিউচুয়াল ইভালুয়েশন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তিনি ওই সময়ে বাজুস কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এ রেটিং অক্ষুণ্ন রাখতে বাজুস ও বিএফআইইউ এর মধ্যে সহযোগিতা-সমন্বয় আরও সুদৃঢ়করণ এবং সোনা চোরাচালান প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করার আহ্বান জানান।

বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের মতো আন্তর্জাতিক সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে। দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় সংস্থা হিসেবে বিএফআইইউ এর ভূমিকা অবহিত করেন।

সভায় মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ এবং এতদসংক্রান্ত বিধিমালার আওতায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার দায়-দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এ মূল্যবান ধাতু ও পাথর তথা সোনা চোরাচালানকে সম্পৃক্ত অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণকারী এর সুপারিশ এবং সোনা চোরাচালানে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের ঝুঁকি বিবেচনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এ মূল্যবান ধাতু বা পাথরের ব্যবসায়ীকে বিএফআইইউয়ের রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়— মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা-২০১৯ এ রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে মূল্যবান ধাতু ও পাথরের ব্যবসায়ীদের দায়-দায়িত্বের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিদের্শনার পাশাপাশি তাদের সংগঠন বাজুসের ওপর বেশকিছু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— বিএফআইইউয়ের সহায়তায় এর সদস্যদের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত ঝুঁকি নিরূপণ, তাদের বিএফআইইউয়ের নির্দেশনা প্রেরণ, সন্দেহজনক লেনদেন বা সন্দেহজনক কার্যক্রম চিহ্নিতকরণে সহায়ক গাইডলাইন ও ফিডব্যাক দেওয়া, সদস্যদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও অন্যান্য কর্মসূচি আয়োজন করাসহ এতদ্সংক্রান্ত আইন, বিধিমালা ও বিএফআইইউয়ের নির্দেশনা পরিপালনে বিএফআইইউকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া ইত্যাদি।

সভায় জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেন মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসীকার্যে অর্থায়নের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত না হয় সে লক্ষ্যে সব জুয়েলারি ব্যবসায়ী অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 

Source : Jago News24

Copyright © 2022 Sayem Sobhan Anvir.
All Rights Reserved.