Pre-loader logo

বসুন্ধরা গ্রুপ চেয়ারম্যানের উদ্যোগ কম্বল পেল মিরপুরের ৩ শতাধিক বস্তিবাসী

বসুন্ধরা গ্রুপ চেয়ারম্যানের উদ্যোগ কম্বল পেল মিরপুরের ৩ শতাধিক বস্তিবাসী

দেশের বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের উদ্যোগে মিরপুরের তিন শতাধিক বস্তিবাসীর হাতে কম্বল তুলে দিয়েছে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ। গতকাল শনিবার মিরপুর-১৪ নম্বরের বাগানবাড়ী বস্তি, ১৩ নম্বরের নামাচানবাড়ী বস্তি ও কল্যাণপুরের একটি বস্তির বাসিন্দাদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন মিরপুরের তিনটি শাখার শুভসংঘ বন্ধুরা।

বছরের প্রথম দিনে গত শুক্রবার বস্তিগুলো ঘুরে-ঘুরে বাসিন্দাদের হাতে টোকেন তুলে দিয়েছিলেন শুভসংঘ সদস্যরা। গতকাল সকাল ১১টায় শুরু হয় কম্বল বিতরণ।

পর্যায়ক্রমে তিনটি বস্তিতে কম্বল বিতরণ করেন শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সোহেল রানা স্বপ্ন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল চৌধুরী বাপ্পি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান মিয়াজি, শুভসংঘ বন্ধু শাহ্ মো. হাসিবুর রহমান হাসিব, মহিমা কবির শারমিন, ইবনে সাঈফ ফাবি, জাহিদুল ইসলাম সিফাত, শেখ সুহাইল আহমেদ, ইসরাত জাহান পুষ্পিতা, রুবায়েত হোসেন ফাবি, সাদমান সাকিব, রাসেল মিয়া, মাহফুজুর রহমান, তৌহিদুর রহমান, হুমায়রা হক ইফতু, সারা মেহজাবিন, মেহেদী হাসান রাব্বী, লামিয়া শেখ, নূরজাহান বিনতে তানজীম, ইব্রাহিম আহমেদ জিসান ও তাহমিদ আরেফিন সাজিদ।

কম্বল হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সুবিধাবঞ্চিত অসচ্ছল মানুষ। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া করিমন নেছা (৬০) বলছিলেন, ‘আগে মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করতাম, এখন কোনো কাজ পাই না। বয়স হয়ে গেছে, তাই তেমন কাজ করতেও পারি না। মেয়ের কাছে থাকি। এই কম্বলটা পেয়ে খুব ভালো হয়েছে। শীতের রাতে ঘুমাতে খুব কষ্ট হতো। এখন একটু আরামে ঘুমাতে পারব। যারা কম্বল দিছে আল্লায় তাদের ভালো করুক।’

রাফিউল চৌধুরী বাপ্পি বলেন, ‘কালের কণ্ঠ সম্পাদকের নির্দেশে আমরা গতকাল সারা দিন ঘুরে ঘুরে অতিদরিদ্র অসচ্ছল মানুষ খুঁজে বের করেছি। তাদের হাতে টোকেন তুলে দিয়েছি। মিরপুরের বেশ কয়েকজন বন্ধু অনেক পরিশ্রম করেছেন। আজ ওই সব মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিতে পেরে আমাদের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘শীতার্ত মানুষজন কম্বল পেয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান মহোদয়ের জন্য অনেক দোয়া করেছেন। তাঁর দীর্ঘজীবন কামনা করেছেন।’

Source-কালের কণ্ঠ

Copyright © 2021 Sayem Sobhan Anvir. All Rights Reserved.